আমতলীতে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ; ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রকৌশলী! | আপন নিউজ

রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
মহিপুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে গাঁ’জাসহ মা’দ’ক ব্যাবসায়ী আ’ট’ক নি’খোঁ’জে’র তিন দিন পর শিবচর থেকে কলাপাড়ার কৃষিবিদের ম’রদে’হ উদ্ধার মহাসড়কে মৃ’ত্যু’র মি’ছি’ল থামছেই না; তিন দিনে তিন প্রা’ণ ঝর’ল কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়কে কলাপাড়ায় সেভেন ডিলাক্স বাসের চা’পা’য় মোটরসাইকেল আরোহী নি’হ’ত কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে বেপরোয়া বাসের চা’পা’য় ২ দিনে দুইজন নি’হ’ত তালতলীতে আওয়ামীলীগ নেতার বি’রু’দ্ধে জমি দ’খ’লে’র অভিযোগ বরগুনা-১ আসনে প্রতিক পেয়েই প্রচারে দুই প্রার্থী; দুই প্রার্থী নিরব কলাপাড়ায় জ্বালানি–বিদ্যুৎ খাতের খসড়া মহাপরিকল্পনা বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় ইউপি দফাদার নি’হ’ত, বাবা গুরু’ত’র আ’হ’ত ডাকসুর মতো ১২ তারিখ ট্রাকের বিজয় ইতিহাস সৃষ্টি করবে- নুরুল হক নুর
আমতলীতে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ; ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রকৌশলী!

আমতলীতে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ; ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রকৌশলী!

আমতলী প্রতিনিধিঃ আমতলী উপজেলার খুড়িয়ার খেয়াঘাট থেকে ধানখালী জিসির ৪ হাজার ৩০০ মিটার সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধা ও শাহীন তালুকদার এ নিম্নমানের কাজ করছেন। উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগ জেনেও ঠিকাদারের এ নিম্নমানের কাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। স্থানীয়দের দাবী এ সড়ক বেশী দিন টিকবে না। সরকারের কোটি কোটি টাকা গচ্চা যাবে। দ্রুত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের খুড়িয়ার খেয়াঘাট থেকে ধানখালী জিসি সড়কের চার হাজার তিন’শ মিটার সড়ক। এ সড়ক নির্মাণের দরপত্র আহবান করে বরগুনা নির্বাহী প্রকৌশল বিভাগ। ওই কাজে তিন কোটি চার লক্ষ ৯৫ হাজার ৫৯৪ টাকা বরাদ্দ করা হয়। ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর ওই কাজের টেন্ডার হয়। বরেন্দ্র ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওই কাজ পায়। ২০২৪ সালের ২১ এপ্রিল কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু ঠিকাদার গত বছর জুন মাসে ওই সড়কের কিছু অংশের কাজের মেগাডাম করে ফেলে রাখেন। কাজের মেয়াদ আট মাস পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদার কাজ করেননি। গত ডিসেম্বর মাসে ওই কাজ শুরু করেন। শুরুতেই ঠিকাদার নিম্নমানের খোয়া ও পাথর দিয়ে কাজ শুরু করেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। স্থানীয়দেও আরো অভিযোগ ঠিকাদার শাহীন তালুকদার ও শহীদুল ইসলাম মৃধা নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করছেন। ঠিকাদারগণ দরপত্র অনুসারে সড়কের প্রস্ত ও গভীরতা দেয়নি।এ বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলী অফিসে জানালেও তারা কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করছেন না। ইতিমধ্যে উপজেলা প্রকৌশলী অফিস ওই কাজের এক কিস্তির বিল ছাড় দিয়েছেন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, ঠিকাদারের লোকজন নিম্নমানের খোয়া দিয়ে কাজ করছেন।

স্থানীয় বাচ্চু মিয়া ও কামাল হোসেন বলেন, ঠিকাদার নিম্নমানের খোয়া দিয়ে সড়ক নির্মাণ করেছেন। এ সড়ক বেশী দিন টিকবে না। সরকারের কোটি কোটি টাকা গচ্চা যাবে। দ্রুত ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান তারা। টেকসই সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী অপসারণ করে পুনরায় সড়ক নির্মাণের দাবী তাদের।

মোটর সাইকেল চালক নজরুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদার যে নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে সড়কের কাজ করেছেন তাতে সরকারী টাকা অপচয় ছাড়া আর কিছুই না।

ঠিকাদার শাহীন তালুকদার নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করার কথা অস্বীকার করে বলেন, ইতিমধ্যে দুই হাজার এক’শ মিটার সড়কের কাজ শেষ করেছি। বাকী কাজ দ্রুত শুরু করবো। তিনি আরো বলেন, উপজেলা প্রকৌশলী কাজের বিল ছাড় দিলেও এখনো উত্তোলন করতে পারিনি।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, ঠিকাদার যতটুকু কাজ করেছেন তার বিল ছাড় দেয়া হয়েছে।

বরগুনা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মেহেদী হাসান খাঁন বলেন, কাজ করলে ঠিকাদারকে বিল ছাড় দিতেই হবে। তবে ঠিকাদার ওই সড়কের কিছু স্থানে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করেছিল পরির্দশন করে ওই নিম্নমানের সামগ্রী পরিবর্তন করা হয়েছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!